পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা (এমএমএসবিওয়াই)-র অনলাইন ঠিকানা এখন sha.wbhealth.gov.in। এই পোর্টালটি চালায় রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থা (স্টেট হেলথ এজেন্সি)। যোগ্যতা যাচাই করা, অনলাইনে নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতাল খোঁজা কিংবা চিকিৎসার প্যাকেজ দেখা, সবকিছুর জন্যই এই ওয়েবসাইটে আসতে হবে। আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয় আর এমএমএসবিওয়াই, দুটি প্রকল্পই চালু হয়েছে ২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট, এবং দুটির জন্যই একই পোর্টাল ব্যবহার করা হয়।
সবচেয়ে কাজের পাতা হল যোগ্যতা যাচাই ও এমএমএসবিওয়াই নথিভুক্তির পাতা, কারণ এখানে একই প্রক্রিয়ায় দুটো কাজই সারা যায়। এই লেখায় সেই প্রক্রিয়াটি ধীরে ধীরে, এক এক ধাপ করে বুঝিয়ে বলা হয়েছে। তার পরে দেখানো হয়েছে পোর্টালে আর কী কী পাওয়া যায়।
এমএমএসবিওয়াই পশ্চিমবঙ্গ পোর্টাল এক নজরে
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা পশ্চিমবঙ্গের ওয়েবসাইট | sha.wbhealth.gov.in |
| পরিচালনায় | রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার |
| কোন কোন প্রকল্প | আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয় ও এমএমএসবিওয়াই, দুটিই চালু হয়েছে ২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট |
| নথিভুক্তির পাতা | পিএম-জয় ও এমএমএসবিওয়াই যোগ্যতা যাচাই এবং এমএমএসবিওয়াই নথিভুক্তি |
| এমএমএসবিওয়াই-এর সুরক্ষা | বছরে পরিবারপিছু ৫ লক্ষ টাকা, নগদ-মুক্ত, ফ্লোটার ভিত্তিতে |
| ভাষা | ইংরেজি ও বাংলা |
| হেল্পলাইন | 18003455384 অথবা 14555, দিনের চব্বিশ ঘণ্টাই চালু |
| ইমেল | [email protected] |
| দপ্তর | স্বাস্থ্য ভবন, জিএন-২৯, সেক্টর ফাইভ, সল্টলেক সিটি, কলকাতা ৭০০০৯১ |
পোর্টালে এমএমএসবিওয়াই-এর জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন যেভাবে
অনলাইন আবেদন, যাকে অনেকে অনলাইন নিবন্ধনও বলেন, চারটি ভাগে সম্পন্ন হয়। প্রথমে আধার নম্বর দিতে হয়, তারপর ই-কেওয়াইসি, তারপর ফর্ম পূরণ, আর শেষে যাচাইয়ের জন্য অপেক্ষা। কোনওটাই কঠিন নয়, শুধু এক এক করে এগোলেই হল।
শুরু করার আগে
আধার কার্ড হাতের কাছে রাখুন, কারণ এমএমএসবিওয়াই-তে নথিভুক্তির জন্য আধার বাধ্যতামূলক, আর আধার ছাড়া প্রক্রিয়া এগোবে না। ফোনটিও পাশে থাকলে সুবিধা, কেননা আধারের মাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ে প্রায়ই ফোনের দরকার হয়। আর আধার নম্বর লিখবেন কেবল sha.wbhealth.gov.in-এ। পাতাটিতে বলা আছে, যাচাইয়ের জন্য নম্বরটি নিরাপদে সার্ভারে পাঠানো হয়, কাজেই অন্য কোথাও তা লেখার কোনও কারণ নেই।
ধাপে ধাপে: আধার, ই-কেওয়াইসি, ফর্ম ও জমা
- ঠিক পাতাটি খুলুন। যোগ্যতা যাচাই ও নথিভুক্তির পাতায় যান। যে পাতার শিরোনামে যোগ্যতা যাচাই এবং এমএমএসবিওয়াই নথিভুক্তির কথা লেখা আছে, সেটিই আপনার পাতা। পোর্টালের ওপরে ভাষা বদলের বোতাম আছে, তাই চাইলে বাংলা বেছে নিতে পারেন।
- আধার নম্বর লিখুন। আধার নম্বরের ঘরটি খুঁজে নিন, তারপর বারো সংখ্যার নম্বরটি আস্তে আস্তে লিখুন। লেখা হয়ে গেলে আরও একবার মিলিয়ে নিন, কারণ একটি সংখ্যা ভুল হলেই অন্য কারও তথ্য সামনে আসবে।
- এগিয়ে গিয়ে ই-কেওয়াইসি করুন। আধার নম্বরের পরে পোর্টাল আপনাকে ই-কেওয়াইসিতে নিয়ে যাবে, অর্থাৎ ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পরিচয় যাচাইয়ে। পর্দায় যা যা নির্দেশ আসবে, শেষ পর্যন্ত একে একে মেনে চলুন।
- ফর্মটি দেখুন। ই-কেওয়াইসি শেষ হলে ফর্মে আপনার তথ্য নিজে থেকেই বসে যাবে। প্রতিটি লাইন পড়ে দেখুন, সব ঠিক আছে কি না।
- বাকি তথ্য নিজে ভরুন। কিছু তথ্য আপনা থেকে আসবে না। সেগুলি আপনি নিজে লিখে দিন।
- ফর্ম জমা দিন। সব দেখে নিশ্চিত হওয়ার পরেই জমা দেওয়ার বোতামে ক্লিক করুন। জমা দেওয়ার পরে পর্দায় কোনও রেফারেন্স বা প্রাপ্তিস্বীকার এলে তা লিখে রাখুন, নয়তো পর্দার ছবি তুলে রাখুন।
- যাচাইয়ের জন্য অপেক্ষা করুন। এবার আপনার তথ্য যাচাই হবে। এই সময়ে আপনাকে আর কিছু করতে হবে না।
জমা দেওয়ার পরে: যাচাই ও কার্ড ডাউনলোড
যাচাই শেষ হলে একটি বার্তা আসবে, যাতে জানানো হবে আপনার কার্ড ডাউনলোড করা যাবে। বার্তাটি খুলে তার নির্দেশ মেনে কার্ডটি ডাউনলোড করে নিন। এমএমএসবিওয়াই-তে প্রত্যেকের নামে আলাদা কার্ড হয়, যাকে অনেকেই স্বাস্থ্য বীমা কার্ড বা মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য কার্ড বলেন। পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী এই কার্ড বিনামূল্যে দেওয়া হয়, তাই কার্ডের জন্য কেউ টাকা চাইলে তা মেনে নেওয়ার কারণ নেই।
স্ট্যাটাস চেক করার কথা ভাবলে মনে রাখবেন, যাচাইয়ের পরে ফলাফল ওই বার্তার মাধ্যমেই আপনার কাছে পৌঁছয়। যথেষ্ট সময় পেরিয়েও বার্তা না এলে হেল্পলাইন 18003455384 বা 14555 নম্বরে ফোন করুন, আর আধার নম্বর হাতের কাছে রাখুন।
স্বাস্থ্য সাথী কার্ডধারীরা কি এমএমএসবিওয়াই-এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারেন?
পোর্টালের প্রথম পাতায় যাঁরা আগে স্বাস্থ্য সাথীর সুবিধা পেতেন, তাঁদের জন্য একটি ঘোষণা আছে। তাতে বলা হয়েছে, যে স্বাস্থ্য সাথী উপভোক্তাদের এএওয়াই, এসপিএইচএইচ, পিএইচএইচ বা আরকেএসওয়াই-১ রেশন কার্ড নেই, তাঁরা এবার এমএমএসবিওয়াই-এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আপনি এই শ্রেণিতে পড়লে ওপরের ধাপগুলি আপনার জন্যই।
তবে আপনার কাছে ওই রেশন কার্ডগুলির কোনওটি থাকলে, কিংবা আপনি কোন শ্রেণিতে পড়েন সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলে, আবেদনের আগে হেল্পলাইনে ফোন করে নিন। ঘোষণাটিতে সেই পরিস্থিতির কথা বলা নেই। আকাশবাণীর ২০২৬ সালের জুলাইয়ের একটি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, স্বাস্থ্য সাথীর বর্তমান উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারতের কাঠামোয় আনা হবে। প্রকল্পটি সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা পেতে পড়ে নিতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনার গাইড।
sha.wbhealth.gov.in-এ আপনি যা যা করতে পারেন
পোর্টালে আবেদনের পাতা ছাড়াও আরও অনেক কিছু আছে। কোন পরিষেবা কোথায় পাবেন, নিচের তালিকায় তা দেওয়া হল, যাতে সরাসরি সেখানে পৌঁছে যেতে পারেন।
| আপনি কী করতে চান | কোথায় যাবেন |
|---|---|
| যোগ্যতা যাচাই করে এমএমএসবিওয়াই-তে নথিভুক্ত হতে চান | যোগ্যতা যাচাই ও নথিভুক্তির পাতা |
| চিকিৎসার প্যাকেজ দেখতে চান | সুবিধা প্যাকেজের পাতা |
| জেলা ধরে হাসপাতাল খুঁজতে চান | হাসপাতাল খোঁজার পাতা |
| সরকারি হাসপাতালের তালিকা পড়তে চান | প্যানেলভুক্ত সরকারি হাসপাতালের তালিকা (পিডিএফ) |
| বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা পড়তে চান | প্যানেলভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা (পিডিএফ) |
| সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জানতে চান | এমএমএসবিওয়াই-এর সচরাচর জিজ্ঞাস্য (পিডিএফ) |
| অভিযোগ বা পরামর্শ জানাতে চান | মতামত জানানোর পাতা |
| ঠিকানা ও ফোন নম্বর জানতে চান | যোগাযোগের পাতা |
একই পোর্টালে পিএম-জয় আর এমএমএসবিওয়াই: তফাত কোথায়
একটি পোর্টালে দুটি প্রকল্প থাকায় অনেকেই দুটিকে গুলিয়ে ফেলেন। আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয় কেন্দ্রীয় প্রকল্প। এতে নগদ-মুক্ত ও কাগজবিহীন পদ্ধতিতে প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে বছরে পরিবারপিছু ৫ লক্ষ টাকার সুরক্ষা মেলে, এবং ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী সব প্রবীণ নাগরিকও এর আওতায় আসেন, আয় যা-ই হোক। পোর্টাল আরও জানাচ্ছে, পিএম-জয়ের সুবিধা দেশের যে কোনও জায়গায় পাওয়া যায়, আর এতে নথিভুক্তি হয় সবচেয়ে কাছের কমন সার্ভিস সেন্টারে, আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে।
এমএমএসবিওয়াই রাজ্যের প্রকল্প, আর এর নিয়মগুলি মনে রাখা সহজ:
- বছরে পরিবারপিছু ৫ লক্ষ টাকার নগদ-মুক্ত সুরক্ষা মেলে ফ্লোটার ভিত্তিতে, অর্থাৎ গোটা পরিবার একটিই অঙ্ক ভাগ করে ব্যবহার করে।
- পরিবারের সদস্যসংখ্যার কোনও সীমা নেই, আর আগে থেকে থাকা সব রোগই এর আওতায় পড়ে।
- প্রত্যেক উপভোক্তাকে বিনামূল্যে আলাদা কার্ড দেওয়া হয়।
- আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয়ের প্যানেলভুক্ত সব হাসপাতালেই নগদ-মুক্ত চিকিৎসা মেলে, তবে খরচ পরে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেই।
- একজন মানুষ একটি মাত্র স্বাস্থ্য প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন, সেটি রাজ্য সরকারের হোক, কেন্দ্রীয় সরকারের হোক কিংবা কোনও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার।
সংক্ষেপে, আপনি যদি আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় না থাকেন, তবে এমএমএসবিওয়াই-ই আপনার জন্য রাজ্যের প্রকল্প। দুটি প্রকল্প চালুর খবর সম্পর্কিত প্রতিবেদনেও একই কথা আছে। প্রকল্পটি আলাদা করে বুঝতে চাইলে গভর্নমেন্ট স্কিমসের এমএমএসবিওয়াই পাতাটি দেখতে পারেন।
সুবিধা প্যাকেজের পাতায় কী কী দেখবেন
কোন কোন চিকিৎসা সুরক্ষার আওতায় পড়ে, তা জানতে চাইলে সুবিধা প্যাকেজের পাতাটি খুলুন। পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী এখন চালু স্বাস্থ্য সুবিধা প্যাকেজের নাম এইচবিপি ২.২, যেখানে ২৭টি বিশেষ বিভাগ জুড়ে প্রায় ১,৯৬০টি চিকিৎসা প্যাকেজ আছে। প্রতিটি প্যাকেজ তৈরি হয়েছে সব খরচ ধরেই। ভর্তির নথিভুক্তি, চিকিৎসকের পরামর্শ, পরীক্ষা, ওষুধ, চিকিৎসার সামগ্রী, খাবার আর থাকার ব্যবস্থা তো আছেই, তার সঙ্গে ভর্তির আগে ও পরের যত্নও এর মধ্যে পড়ে, পরবর্তী পরামর্শ-সহ ১৫ দিন পর্যন্ত।
নিজে পুরো তালিকা ঘেঁটে দেখতে চাইলে প্রথম পাতায় এইচবিপি ২০২২-এর তিনটি স্প্রেডশিটও দেওয়া আছে: চিকিৎসা পদ্ধতির তালিকা, ইমপ্লান্টের তালিকা এবং স্তরবিন্যাসের তালিকা।
পোর্টালে প্যানেলভুক্ত হাসপাতাল খুঁজে নেবেন যেভাবে
পোর্টাল জানাচ্ছে, ১,৫০০-র বেশি সরকারি ও বেসরকারি প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে সম্পূর্ণ নগদ-মুক্ত চিকিৎসা পাওয়া যায়। আপনার কাছের হাসপাতাল খুঁজতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন।
- হাসপাতাল খোঁজার পাতাটি খুলুন।
- ফিল্টারে নিজের জেলা বেছে নিন।
- যে হাসপাতালগুলির নাম আসবে, সেগুলি পড়ুন।
- আপনার কাছের একটি বেছে নিন, আর যাওয়ার আগে কিছু জেনে নিতে চাইলে হেল্পলাইনে ফোন করুন।
সম্পূর্ণ তালিকা চাইলে সরকারি হাসপাতালের তালিকা কিংবা বেসরকারি হাসপাতালের তালিকা ডাউনলোড করে নিন। হাসপাতালে যাওয়ার সময় আধার সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না, কারণ এমএমএসবিওয়াই-তে ভর্তির সময় এবং ছাড়া পাওয়ার সময়, দু'বারই আধার দিয়ে পরিচয় যাচাই করতে হয়।
পোর্টালের যে লিঙ্কগুলি জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাইটে নিয়ে যায়
প্রথম পাতার কয়েকটি লিঙ্ক sha.wbhealth.gov.in-এ থাকে না, অন্য সাইটে চলে যায়। পিএম-জয় যোগ্যতা যাচাই, আয়ুষ্মান বয় বন্দনা প্রকল্প এবং ই-কেওয়াইসির লিঙ্ক তিনটিই খোলে beneficiary.nha.gov.in, যা জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সাইট। প্রথম পাতা থেকে আরও যাওয়া যায় আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয়ের অনলাইন অভিযোগ জানানোর সাইটে, হাসপাতাল প্যানেলভুক্তির মডিউলে এবং উপভোক্তা শনাক্তকরণ ব্যবস্থায়।
এই সাইটগুলির কোনওটিতে পৌঁছে গেলে চিন্তার কিছু নেই। আপনার এমএমএসবিওয়াই নথিভুক্তি কিন্তু পোর্টালের নিজস্ব যোগ্যতা যাচাই ও নথিভুক্তির পাতাতেই হবে।
হেল্পলাইন, ইমেল ও দপ্তরের ঠিকানা
হেল্পলাইন সপ্তাহের সাত দিন, দিনের চব্বিশ ঘণ্টাই চালু থাকে, নম্বর 18003455384 এবং 14555। চাইলে [email protected] ঠিকানায় ইমেলও করতে পারেন, পোর্টালের কথায়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব উত্তর দেওয়া হয়। রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থার দপ্তর স্বাস্থ্য ভবন, জিএন-২৯, সেক্টর ফাইভ, সল্টলেক সিটি, কলকাতা ৭০০০৯১ ঠিকানায়। এই সবকটি তথ্যই পাবেন যোগাযোগের পাতায়।
কোনও অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে মতামত জানানোর পাতা ব্যবহার করুন। আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয় সংক্রান্ত সমস্যা হলে অনলাইন অভিযোগের সাইটেও জানাতে পারেন।
কোন ওয়েবসাইট কোনটি
পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য নিয়ে একাধিক ওয়েবসাইট আছে, তাই সহজেই গুলিয়ে যায়। কোনটি কী, তা এখানে আলাদা করে দেওয়া হল:
- sha.wbhealth.gov.in হল রাজ্য স্বাস্থ্য সংস্থার পোর্টাল। এমএমএসবিওয়াই এবং আয়ুষ্মান ভারত পিএম-জয়ের জন্য এটি ব্যবহার করুন।
- healthscheme.wb.gov.in হল পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্প পোর্টাল, যা সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী এবং আরও কিছু গোষ্ঠীর জন্য। এটি আলাদা একটি প্রকল্প।
- swasthyasathi.gov.in হল স্বাস্থ্য সাথীর ওয়েবসাইট, যা রাজ্যের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের নিজস্ব সাইট।
অন্যভাবে নামটা লিখে খুঁজছেন?
এই প্রকল্পের নাম মানুষ নানাভাবে লেখেন, যেমন এমএমএসবিওয়াই, মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য মন্ত্রী কিংবা মুখো মন্ত্রী স্বাস্থ্য বীমা যোজনা। অনেকে আবার ইংরেজিতে খোঁজেন চিফ মিনিস্টার হেলথ ইনসিওরেন্স স্কিম অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল বা সিএম স্বাস্থ্য বীমা যোজনা নামে। সবই একই প্রকল্প, আর এর সঠিক ঠিকানা sha.wbhealth.gov.in।
সাধারণ সমস্যা আর তার সহজ সমাধান
- ফর্ম এগোচ্ছে না। আধার নম্বর ঠিকমতো লিখেছেন কি না দেখুন, কারণ নথিভুক্তিতে আধার বাধ্যতামূলক।
- ই-কেওয়াইসি শেষ হচ্ছে না। আধার নম্বর দেওয়ার ধাপ থেকে আবার শুরু করুন। তাতেও না হলে হেল্পলাইনে ফোন করুন।
- অন্য প্রকল্প থাকায় নথিভুক্ত হতে পারছেন না। এমএমএসবিওয়াই রাজ্য, কেন্দ্র বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, এই তিনের মধ্যে একটি মাত্র স্বাস্থ্য প্রকল্পের অনুমতি দেয়, তাই দুটি একসঙ্গে রাখা যায় না।
- কার্ডের বার্তা আসেনি। যাচাই হয়তো এখনও চলছে, তাই কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর হেল্পলাইনে ফোন করুন।
- হাসপাতাল টাকা চাইছে। এমএমএসবিওয়াই নগদ-মুক্ত, আর এতে খরচ ফেরতের ব্যবস্থা নেই, তাই বিষয়টি হেল্পলাইনে কিংবা মতামত জানানোর পাতায় জানান।
নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন